পাহাড়ের পরিত্যক্ত বেতার কেন্দ্র থেকে ভেসে এলো গা শিউরে ওঠা শব্দ! বার্তা পোস্ট করেই গায়েব তরুণ সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ার

পুরুলিয়ার অযোধ্যা পাহাড়ে ৮৭.৩ মেগাহার্টজের রহস্যময় ফ্রিকোয়েন্সি উদ্ধার করতে গিয়ে উধাও সৌরভ, ৩ মিনিটের অডিও ফাইল ঘিরে তুঙ্গে চাঞ্চল্য।
Bengali

পাহাড়ের পরিত্যক্ত বেতার কেন্দ্র থেকে ভেসে এলো গা শিউরে ওঠা শব্দ! বার্তা পোস্ট করেই গায়েব তরুণ সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ার · Avonetics

🎧 Podcast episode
Coming soon — রোহান & দিয়া are taking this one into the studio.
Sponsored
Volicci custom graphic tees, hoodies & die-cut stickers, a fresh original design every day. Learn more →

পুরুলিয়ার জনমানবহীন অযোধ্যা পাহাড়। সেখানে বছরের পর বছর ধরে ঝোপঝাড়ের আড়ালে দাঁড়িয়ে আছে একটি জরাজীর্ণ পরিত্যক্ত রেডিও রিলে স্টেশন। সরকারি খাতায় ১৯৯৪ সাল থেকেই এই কেন্দ্রের অস্তিত্ব মৃত। কিন্তু ২০২২ সালের এক কনকনে শীতের রাতে সেই মৃত কেন্দ্র থেকেই বাতাসে ভেসে এল এক অদ্ভুত ফ্রিকোয়েন্সি। আর সেই শব্দ থ্রেড ধরে এগোতে গিয়েই চিরতরে হাওয়ায় মিলিয়ে গেলেন কলকাতার ২৯ বছর বয়সী সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ার সৌরভ সেন।

ঘটনার সূত্রপাত অনলাইন ফোরামের একটি পোস্ট থেকে। পেশায় শব্দ-গবেষক সৌরভ লিখেছিলেন, তিনি এমন একটি অ্যানালগ ফ্রিকোয়েন্সি ধরেছেন যা সাধারণ বিচারে অসম্ভব। রাত ১২টা ৪৭ মিনিটে পুরুলিয়ার সেই পরিত্যক্ত স্টেশনের ধ্বংসাবশেষের ভেতরে দাঁড়িয়ে নিজের ফিল্ড রেকর্ডার অন করেছিলেন তিনি। তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ইন্টারনেটে সৌরভের একাউন্ট থেকে আপলোড হয় ৩ মিনিট ১৪ সেকেন্ডের একটি অডিও ট্র্যাক। অডিওতে বাতাসের শোঁ শোঁ শব্দের মাঝে স্পষ্ট শোনা যায় মরস কোড, যার অর্থ—'DEAD 1992'। এরপরেই একটি ভারী পুরুষ গলা বলে ওঠে, "রেকর্ডিং বন্ধ কর, ফ্রিকোয়েন্সি আবার খুলে গেছে।"

Read nextপাহাড়ের নির্জন কেবিনে ফেলে যাওয়া শেষ বার্তা: কার্শিয়াংয়ের কুয়াশায় উধাও শুভদীপ সেনগুপ্ত!

সেই শেষ। তারপর থেকেই উধাও সৌরভ। পুলিশ পাহাড়ের ওপর তাঁর তাঁবু, মোটরবাইক এবং চালু ল্যাপটপ উদ্ধার করলেও সৌরভ কিংবা তাঁর আসল রেকর্ডারের কোনো সন্ধান মেলেনি। তবে পুলিশি তদন্তে বেরিয়ে এসেছে আরও এক বিস্ফোরক তথ্য। ১৯৯২ সালে ওই রেডিও স্টেশনেই ঘটেছিল এক নৃশংস জোড়া খুন, যা আজ পর্যন্ত অমীমাংসিত।

ঘটনাটি জানাজানি হতেই নেটিজেনদের মধ্যে তৈরি হয়েছে তীব্র মতামত। এক প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় বাসিন্দা জানান, "ওই পুরোনো ট্রান্সমিটার ঘরের দিকে রাতের বেলা মাঝে মাঝেই লাল আলো জ্বলতে দেখা যেত। আমরা ভাবতাম সরকারি লোক আসছে।" আবার অনলাইন গবেষকদের একাংশের যুক্তি, এটি কোনো পাচারকারী দলের কাজ। সৌরভ দুর্ঘটনাবশত তাদের এনক্রিপ্টেড রেডিও চ্যানেলে আড়ি পেতেছিলেন, তাই তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে অপরাধ বিশেষজ্ঞদের এক অংশ মনে করছেন, ১৯৯২ সালের জোড়া খুনের অপরাধী হয়তো এখনো ওই এলাকাতেই ঘাপটি মেরে আছে, এবং ইতিহাস প্রকাশ পাওয়ার ভয়েই এই অপকর্ম।

Sponsored
govfab.com Turn ideas into reality with AI-powered manufacturing. Describe what you need, and GovFab transforms your idea into a custom-designed product ready to manufacture. Learn more →

ঘটনাটি কি শুধুই ডিজিটাল যুগের কোনো সাজানো নাটক, নাকি কোনো দীর্ঘদিনের গোপন অপরাধের বলি হলেন এক তরুণ গবেষক? সৌরভের কি বেঁচে থাকা সম্ভব?

এই কেসের প্রতিটি ফরেনসিক প্রমাণ, কমেন্টের বিস্ফোরক বিতর্ক এবং গা ছমছমে অডিও বিশ্লেষণ নিয়ে বিস্তারিত তর্কে মেতেছেন উপস্থাপক রোহান ও দিয়া—শুনুন 'শেষ সূত্র' পডকাস্টের নতুন পর্বে।

0:00
0:00
Link copied ✓
↑