আইম্যাক্সের নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত: চুক্তি ভেঙে স্পাইডার-ম্যানকে জায়গা ছেড়ে দিল 'দ্য ওডিসি'!

বিপুল আয়ের লোভে চার সপ্তাহের এক্সক্লুসিভ চুক্তি ভেঙে নজির গড়েছে বিশ্বখ্যাত আইম্যাক্স থিয়েটার চেইন।
Bengali

আইম্যাক্সের নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত: চুক্তি ভেঙে স্পাইডার-ম্যানকে জায়গা ছেড়ে দিল 'দ্য ওডিসি'! · Avonetics

🎧 Listen to this episode
Closes with the original song “আবার আলোয় ফেরা”. · Plays on Spotify · Open on Spotify ↗
Sponsored
Volicci custom graphic tees, hoodies & die-cut stickers, a fresh original design every day. Learn more →

হলিউডের বক্স অফিসের রাজনীতিতে এমন ঘটনা খুব কমই দেখা যায়। যেখানে একটি বড় বাজেটের ছবি টানা চার সপ্তাহের জন্য সমস্ত আইম্যাক্স স্ক্রিনের স্বত্ব নিজেদের নামে লিখে নিয়েছিল, সেখানে মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে ভেঙে গেল সেই এক্সক্লুসিভ চুক্তি। ক্রিস্টোফার নোলানের ঘরানার মহাকাব্যিক সিনেমা 'দ্য ওডিসি'-র একক সাম্রাজ্যে ভাগ বসাল সোনি পিকচার্সের 'স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে'।

আগস্টের ৬ তারিখ থেকে উত্তর আমেরিকার ডিজিটাল আইম্যাক্স স্ক্রিনগুলোতে এখন প্রদর্শিত হবে দুটি ছবিই। তবে কেবল মাত্র ৪১টি বিশেষ ৭০মিমি ফিল্ম থিয়েটারে নিজেদের একচ্ছত্র আধিপত্য ধরে রাখতে পেরেছে 'দ্য ওডিসি'। কিন্তু হঠাৎ কেন এই নজিরবিহীন পরিবর্তন? উত্তর লুকিয়ে আছে আন্তর্জাতিক বক্স অফিসের পরিসংখ্যানে।

Read nextস্পাইডার-ম্যানের ৭০০ মিলিয়নের ঝড়: বক্স অফিসে বিলিয়ন ডলারের স্বপ্ন নাকি মৌলিক সিনেমার মৃত্যুঘণ্টা?

চীন, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ায় মুক্তির পরপরই স্পাইডার-ম্যান এক তান্ডব সৃষ্টি করে। চীনে একাই ১৯ মিলিয়ন ডলার আয় করে আইম্যাক্স রেকর্ডে ইতিহাস গড়েছে ছবিটি। দক্ষিণ কোরিয়াতেও এটি ২.৪ মিলিয়ন ডলার আয় করে যা এই ফ্র্যাঞ্চাইজির জন্য সর্বকালের সেরা। এই বিশাল আয়ের বহর দেখে আইম্যাক্স কর্পোরেশন তাদের দীর্ঘদিনের নীতি থেকে সরে আসতে বাধ্য হয়।

চলচ্চিত্র বিশ্লেষক ও সিনেপ্রেমীদের মধ্যে এই সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। এক সিনেমা প্রেমী মন্তব্য করেছেন, "আইম্যাক্স যখন দেখল স্পাইডার-ম্যান কেবল টাকার পাহাড় গড়ে তুলছে, তখন তারা নিজেদের নিয়ম পরিবর্তন করতে এক মুহূর্তও ভাবেনি। ব্যবসা যেখানে, সিদ্ধান্ত সেখানে!"

Your brand, right here.Reach story-obsessed listeners in 45+ languages → advertise on Avonetics

অন্যদিকে চুক্তি ভঙ্গের এমন নীতি নিয়ে চরম অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন অনেক চলচ্চিত্র বোদ্ধা। অন্য এক সমালোচক সতর্ক করে বলেছেন, "চার সপ্তাহের এক্সক্লুসিভিটি যদি তিন দিনেই ধুলিস্যাৎ হয়ে যায়, তবে ভবিষ্যতে কোনো বড় নির্মাতা আইম্যাক্সের ওপর ভরসা করতে পারবেন না। এটি সৃজনশীলতার ওপর করপোরেট লোভের জয়।"

ভবিষ্যতে 'ডুন' বা মার্ভেলের অন্যান্য বড় ছবির মুক্তির ক্ষেত্রে এই নতুন নিয়ম কী প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে এখন বড় বড় প্রযোজনা সংস্থাগুলোতে শুরু হয়েছে নতুন চিন্তাভাবনা। আইম্যাক্সের এই নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত কি সিনেমার ব্যবসাকে আরও বেগবান করবে নাকি ধ্বংস করবে নির্মাতাদের আস্থা?

এই বিতর্কিত বিষয় এবং হলিউডের পেছনের অদেখা গল্প নিয়ে আরও বিশদ আলোচনা শুনতে 'পর্দার পেছনে' পডকাস্টের নতুন পর্বে চোখ রাখুন।

0:00
0:00
Link copied ✓